দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
এ সময় ইসলামী ব্যাংক থেকে ৭০০ কোটি টাকার ঋণ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ করেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে জামায়াতের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে অভিযোগ করে জামায়াত আমির বলেন, তিনি (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) যেসব অভিযোগ আনলেন যেকোনো একটা দলের দিকে ইঙ্গিত করে। একেবারে নাম বলে দিলেই পারতেন জামায়াতে ইসলামী।
মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা তার আগের আলোচক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের বক্তব্যের জবাব দেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘৭০০ কোটি টাকার লোন (ঋণ) কে নিয়েছে, এটা কোনো একটা দলের নির্বাচন ফান্ডে ফান্ডিং (নির্বাচনি তহবিলে দেওয়া হয়েছে) করা হয়েছে। আমি এটা পরিষ্কার জানতে চাই, উনি জামায়াতকে এটার দ্বারা মিন করেছেন কি না। যদি উনি মিন করে থাকেন, আই অ্যাম টেকিং অ্যাবসলিউট চ্যালেঞ্জ (আমি চূড়ান্ত চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করছি)। তিনি এটা প্রমাণ করতে পারলে আমি তাকে মেডেল দেব পারসোনালি।’
ইসলামী ব্যাংকের রুরাল ডেভেলপমেন্ট স্কিমের (আরডিএস) অর্থায়ন নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে কথা বলেছেন, সেটাও নাকচ করেন জামায়াতের আমির।
তিনি বলেন, ‘আরডিএস কোনো দলের নয়, কোনো ধর্মেরও নয়। উনি ১১ হাজার কোটি টাকার একটা রেফারেন্স দিয়েছেন। কে নিয়েছে এটা? আমি, আমার সহকর্মীরা যদি এ রকম হয়, দলের ফান্ডে যদি এক টাকাও আসে। আমি বলব সার্চলাইট দিয়ে এইটা তালাশ করে আমাদের বিরুদ্ধে যেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’
এস আলমের নাম উল্লেখ না করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই ব্যাংক থেকে উনি একা নিয়েছেন তার নিজের নামেই ৮২ হাজার কোটি টাকা। আর তার সমুদয় শেয়ার যেগুলো তিনি কিনেছেন ৮২ পার্সেন্টের (শতাংশ) মালিক হয়ে গিয়েছেন, এগুলোর মূল্য হচ্ছে মাত্র ১২ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ তিনি কইয়ের তেল দিয়ে শুধু কই ভাজেন নাই, কইও ভেজেছেন, শোল মাছও ভেজেছেন এবং সবগুলো ব্যাংক থেকে ডাকাতি করা টাকা।’
জামায়াতের আমির বলেন, ‘ব্যাংকটাকে ধ্বংস করেছেন শেখ হাসিনা। এস আলমকে তার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে আমরা এখন স্পষ্টত দেখতে পাচ্ছি সেই এস আলমকে আবার ফিরে আসার পথ করা হচ্ছে।’
কে